গলব্লাডার অ্যাটাকের পর শরীর ও হজমতন্ত্রের আরাম প্রয়োজন, আর এ সময় সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ জরুরি। গলব্লাডার ও ফ্যাটি লিভারের পুষ্টিবিদ অলিভিয়া হ্যাস ইনস্টাগ্রামে (৮ আগস্ট) জানান, কোমল ও সহজপাচ্য খাবার এবং সহায়ক জীবনধারা মেনে চললে শুধু সুস্থতাই নয়, ভবিষ্যতের অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমে।


গলব্লাডার অ্যাটাক বা বিলিয়ারি কোলিক হলো হঠাৎ তীব্র ব্যথা, যা পিত্তনালিতে পাথর আটকে গেলে হয়। অলিভিয়া জানান, এক সময় তিনি দুই মাস ধরে পরপর অ্যাটাকের শিকার হন। তখন তিনি প্রায় দুই সপ্তাহ শুধু স্যুপ, ডাল ও কলা খেয়ে বেঁচেছিলেন।


অলিভিয়ার প্রস্তাবিত ৮টি করণীয়:


দুই সপ্তাহ সব ট্রিগার খাবার এড়িয়ে চলা — ভাজা, তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, দুগ্ধজাত, বেশি চর্বিযুক্ত মাংস, অ্যাভোকাডো, বাদাম, চিনি, ভেজিটেবল অয়েল।


অ্যাটাকের পর দুই সপ্তাহ বাইরে খাবার না খাওয়া।


প্রচুর পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট গ্রহণ — এটি ক্লান্তি ও ‘হ্যাংওভার’ অনুভূতি কমায়।


গলব্লাডার মেরিডিয়ান স্ট্রেচ করা।


অ্যাটাকের পরদিন নিয়মিত গরম সেঁক দেওয়া।


সহজপাচ্য খাবার খাওয়া — স্যুপ, হালকা খাবার, যেন ফ্লু-ডায়েটের মতো।


স্ন্যাকস হিসেবে ফল ও শাকসবজি খাওয়া।


দিনে ৪–৬ বার ছোট পরিমাণে খাবার খাওয়া।


অলিভিয়ার মতে, এই নিয়মগুলো মেনে চললে গলব্লাডারের ওপর চাপ কমে এবং সুস্থতা দ্রুত ফিরে আসে।


Post a Comment

Previous Post Next Post