মাইয়াডার পরিচয় জিগাইলে কইল, “আমার মাইয়া।”
আমি হাসতে হাসতে কইলাম,
“ও আচ্ছা, মাইয়াডারে শহর ঘুরাইতাছেন বুঝি…? ভালোই তো…! এতে মাইয়াডা আনন্দও পাইবো, আবার শহরও চিনবো!
আমার কথা শেষ হইতে না হইতেই লোকটা একটা দীর্ঘশ্বাস ছাইড়া কইল—
“স্যার, আপনে যা ভাবতাছেন তেমন কিছু না। প্রথম প্রথম মাইয়াডা একটু খুশি আছিল, কিন্তু এখন কয় ঘন্টা ধইরা গাড়িতে বইসা থাকতে থাকতে আর ভালো লাগতাছে না। তাও বাধ্য হইয়া লগে রাখছি।
ওর মায় গার্মেন্টসে ডিউটিতে গেছে, বাসায় আর কেউ নাই। একলা রাইখা যাইতে ডর লাগে। এই দুনিয়ায় মাইয়া সন্তান অনেক অনিরাপদ স্যার। আমার লগে রিকশায় ঘুরলে কষ্ট অইবো, কিন্তু অন্তত জানডা তো বাঁচবো।”
লোকটার কথা শুইনা বুকের ভিতরটা কেমন জানি হইয়া গেল…

Post a Comment