নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে অবিলম্বে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করে তাদের গ্রেপ্তার করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।


দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা বলছে, অবিলম্বে অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে।


জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার বার্ষিক অধিবেশন শনিবার সংগঠনের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।


জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি বলা হয়।


জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ নভেম্বর পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে জামায়াতের মিছিলে বিএনপির সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ৬০/৭০ জন নেতাকর্মীকে আহত করেছে। অনেকের অবস্থাই মারাত্মক।


এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানার ওসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময় চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, নোয়াখালী সদর, জামালপুরের মেলান্দহ, ফেনী সদর, নওগাঁ সদর, লক্ষ্মীপুর সদর, নারায়গঞ্জের আড়াই হাজার, মৌলভীবাজারের বড়লেখা, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট, ঝিনাইদহের মহেশপুরসহ বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। এমনকি তারা জামায়াতের মহিলা কর্মীদেরকে দাওয়াতি কাজেও বাধা দিচ্ছে।


এ ধরনের পরিস্থিতিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কীভাবে আশা করা যায়? এ থেকেই প্রমাণিত হয় যে, সরকার এখনও নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেনি।


জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছে যে, পাবনার ঈশ্বরদীতে জেলা জামায়াতের আমিরসহ লোকদের উপর বিএনপির সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে। অথচ দু’একটি পত্রিকায় আজ ২৯ নভেম্বর প্রকাশিত রিপোর্টে লেখা হয়েছে যে, ‘পাবনার ঈশ্বরদীতে পিস্তল হাতে ভাইরাল যুবক জামায়াত কর্মী’। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা এ ধরনের ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য সন্ত্রাসের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের বিরুদ্ধে এ ধরনের তথ্য সন্ত্রাস চালানো থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।


জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা অভিমত ব্যক্ত করছে যে, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য অবিলম্বে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে।



Post a Comment

Previous Post Next Post